খালেদার উপস্থিতিতে চলছে শুনানি, কারাগার ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

প্রকাশ | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:৩৮ | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:৫৮

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বিচারাধীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানিকে ঘিরে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরান কেন্দ্রীয় কারাগারের আশপাশে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সেই আদালতে হাজির করা হয়েছে। 

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই কারাগারেই বসেছে বিশেষ আদালত, শুরু হয়েছে মামলার শুনানি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুনানিকে সামনে রেখে গোটা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।পুরান এই কারাগারটির দুই দিকের সড়কেই যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে আশপাশের দোকানপাটও।

এছাড়া যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও।

এর আগে মামলার শুনানির জন্য এই কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব (প্রশাসন-১) মো. মাহবুবার রহমান সরকারের সই করা গেজেটে বলা হয়েছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ বকশীবাজার এলাকার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে পরিচালিত হচ্ছে। মামলা চলাকালীন ওই এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে এই আদালত স্থানান্তর করা হচ্ছে।

এখন থেকে এই মামলার বিচার কার্যক্রম পুরান কারাগারে ঘোষিত অস্থায়ী আদালতে চলবে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৩২ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কও শেষ হয়েছে। দুর্নীতির এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জামিনে রয়েছেন।

দুর্নীতির এই মামলায় মোট আসামি চার জন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অন্য তিন আসামি হলেন— খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

আরও পড়ুন  :

এসজে/পি