ঈদের প্রধান জামাতে দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা

প্রকাশ | ২২ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৫৯ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০১৮, ১২:৫৮

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

ত্যাগ আর আনন্দে সারা দেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় শুরু হয় ঈদের প্রধান জামাত। ঈদের প্রধান জামাতে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। প্রধান ঈদ জামাতের ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম এহসানুল হক।

এসময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং পঁচাত্তরে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্য, জাতীয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এ জামাতে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনীতিক, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন :ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা
-------------------------------------------------------

জাতীয় ঈদগাহে ৪ স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়।

দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্ট লাভের উদ্দেশ্যে আজ পশু কুরবানি করবেন। সবার ঘরে ঘরে আজ খুশির দিন। বাঙালি সমাজে কুরবানির ঈদ নামেও পরিচিত মুসলমানদের এই অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

সকালে মুসল্লিরা নিকটস্থ ঈদগাহ বা মসজিদে ঈদ-উল-আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন। খতিব নামাজের খুতবায় তুলে ধরেন কুরবানির তাৎপর্য। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই একত্রে নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টায় শুরু হয় ঈদের প্রথম জামাত। পর পর পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় এখানে।

ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কুরবানি করবেন সামর্থ্যবান মুসলমানরা। ঈদ-উল-আজহার সঙ্গে পবিত্র হজের সম্পর্ক রয়েছে। গত সোমবার মক্কার অদূরে আরাফাতের ময়দানে সমবেত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলিম সম্প্রদায় হজ পালন করেছেন।

অপরদিকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। জাতীয় সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে। ঈদের দিন সরকারিভাবে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও শিশু সদনে উন্নত বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।

আরও পড়ুন :

পি