স্বস্তি দিচ্ছে ঢাকা-টাঙ্গাইলের ২৩ ব্রিজ, নেই যানজট

প্রকাশ | ২০ আগস্ট ২০১৮, ১১:২৩ | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১২:১০

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

ঈদ যাত্রার চতুর্থ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের অংশে নেই কোনও যানজট। মহাসড়কে স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন।

ঈদ যাত্রায় আজ সোমবার ব্যস্ততম এই মহাসড়কে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরমুখো মানুষ যাতায়াত করতে পারছেন। যানজট নিরসনে মহাসড়কে ৮০০ পুলিশ ও ২০০ আনসার সদস্য কাজ করছে।

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল করছে স্বাভাবিক গতিতে। তবে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে।

পুলিশ বলছে, ট্রাক-বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সাথে বসে তাদের সাথে নিয়ে কাজ করছি। টাঙ্গাইল অংশে ৬৪ কিলোমিটারকে ৪ ভাগে ভাগ করে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ৪টি অংশে ২টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। এটি দিয়ে কোথায় যানজট হলে তার নিরসন করা সম্ভব হবে।

-----------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে
-----------------------------------------------------

গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই মহাসড়কে নবনির্মিত ২৩টি ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের পরই সেতুগুলো যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। ঢাকা-টাঙ্গাইল ফোর লেনের কাজ এরইমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেই সাথে ফোরলেন অংশে মির্জাপুরের ধেরুয়া রের ক্রসিংয়ে উড়াল সেতুটিও উন্মুক্ত করে দেয়ায় নির্বিঘ্নে ঈদে ঘরমুখো মানুষ বাড়ি ফিরতে পারছে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য এই মহাসড়ক ছিল চরম ভোগান্তির। বিগত কয়েক বছর মহাসড়কে চারলেন প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় উত্তরবঙ্গসহ ২৩টি জেলার মানুষের ভোগান্তির কোনও শেষ ছিল না।

মহাসড়কের উন্নয়ন মানুষের চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দেখা দিয়েছিল। টাঙ্গাইলের কালিহাতী থেকে গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই ছিল রাস্তা খানাখন্দ আর নানা প্রতিবন্ধকতা। ফলে প্রায় প্রতিদিনই যানজট এবং সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হতো সাধারণ যাত্রী ও গাড়ি চালকদের।

অন্যদিকে ৫ ঘণ্টার রাস্তা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতো গন্তব্যে পৌঁছাতে। বর্তমানে মহাসড়কের ২৩টি ব্রিজ নির্মাণ প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পর তার সুফল ভোগ করতে পারছে মানুষ।


আরও পড়ুন :

এসআর