কুরবানির পশুর সাজ পোশাক

প্রকাশ | ১৯ আগস্ট ২০১৮, ২০:০৩ | আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩৪

রাফিয়া চৌধুরী

গরু, মহিষ কিংবা ছাগল যাই হোক না কেন, কুরবানির পশু বলে কথা। একটু সাজিয়ে না নিলে কি হয়। তারপরও কুরবানির পশু নিয়ে শিশুদের একটা আলাদা আবদার তো থাকেই। শহরের শিশুরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকে, কখন কুরবানির ঈদ আসবে। কাঙ্খিত পশুটিকে একটু কাছ থেকে দেখবে, আদর করবে, খাওয়াবে। কুরবানির পশুর গায়ে হাত দিয়ে একটু আনন্দ করবে।

ছোটদের আবদার রক্ষা করতে বড়দেরও প্রাণান্ত চেষ্টা থাকে। তাই হাট থেকে কুরবানির পশু কিনে ভিড় জমান কাগজের ফুলমালার দোকানে। কুরবানির পশুর গায়ের রঙ যাই হোক না কেন, সাজসজ্জা যেমন তেমন হলে চলবে না। গলায় মালা ও ঘণ্টা দেয়ার পর হাঁটার ছন্দে টুং টাং শব্দ তুলে সারা রাস্তা মাত করে দিয়ে বাড়ি নিয়ে ফিরবে পছন্দের পশুটি। আর ঘণ্টাধ্বনি শুনে পথের মানুষ বলবে পশুটির দাম কতো।

-----------------------------------------------------
আরও পড়ুন : আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার মামলায় ৯ শিক্ষার্থীর জামিন
-----------------------------------------------------

অনেক সময় ব্যাপারিরা ভালো বিক্রির জন্য গরুকে আকর্ষণীয় করে রাখে। তাই প্রতিটি হাটেই ইজারাদার ঘরের সামনেই মালা ও ঘণ্টার পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা।

রাজধানীর পশুর হাটগুলো ঘুরে দেখা যায়, হাটের পাশে পশু সাজানোর এসব জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসেছে অনেক দোকান। এসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে কাপড় ও জরি দিয়ে তৈরি মালা ও ফিতা, মাথায় ও শিঙে পরানোর ফুল, গলার জন্য ঘণ্টা ও বেল্ট, গলা ও পায়ে পরানোর জন্য ঘুঙুর, বিভিন্ন রঙের দড়িসহ সাজানোর সব ধরনের সরঞ্জামাদি। পাওয়া যায় বাঁশ বা বেতের লাঠিও। অস্থায়ী দোকানের পাশাপাশি এসব জিনিস বিক্রি করছেন ফেরিওয়ালারাও।

 

গাবতলী পশুর হাটে মালা ব্যবসায়ী আজমাল হোসেন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এটা মৌসুমি ব্যবসা। তবে যে কয়েকদিন ব্যবসা হয় ভালো আয় হয়। কিন্তু এবার ঈদের মাত্র দুইদিন বাকি। কিন্তু এখনও হাটে কোন ক্রেতা নাই। কুরবানির পশুই বিক্রি হয় না। আমার ফুল মালা কে কিনতে আসবে। তবে ঈদের রাতে ভালো বেচা কেনা হবে। এখন সে আশাতেই আছি।

তিনি আরও জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে গরু ছাগল সাজানোর জিনিসিপত্র বিক্রি করছেন। প্রথমে দুই-তিনজন এই ব্যবসায সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এখন অনেকেই এটা বিক্রি করেন। প্রতিবছরই বিক্রেতা বাড়ে। গাবতলীর হাট সারাবছরই এই দোকান থাকে। পাশাপাশি অনেকে ফেরি করে।

আরসি/পি