• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

১ লাখ নকল টাকা তৈরি করতে খরচ ১০ হাজার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৮ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩৬ | আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৮, ২১:১০
এক লাখ টাকার জাল নোট তৈরি করতে খরচ হয় মাত্র ১০ হাজার টাকা। পরে তা পাইকারের কাছে বিক্রি হয় ১৪-১৫ হাজার টাকায়। পাইকারি বিক্রেতা তা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকায়। খুচরা বিক্রেতাদের থেকে মাঠ পর্যায়ের ক্রেতারা আরও বেশি দামে কিনে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেয় দেশের বিভিন্ন স্থানে।

শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল বাতেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।

গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর লালবাগ থেকে ৭৫ লাখ জাল টাকা ও জাল টাকা তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য উঠে আসে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাউসার হামিদ, আলাউদ্দিন, নজরুল ইসলাম, মো. মোস্তফা, মো. সোহেল, মো. মজিবর রহমান বাদশা, মোঃ সজিব হোসেন ও মোছাঃ সালেহা বেগম।

এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ লাখ বাংলাদেশি জাল টাকার নোট ও জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম একটি ল্যাপটপ, দুটি কালার প্রিন্টার, টাকা তৈরির বিভিন্ন কাগজ, প্রিন্টার কালি, স্কিন বোর্ড, জাল টাকায় ব্যবহৃত ফয়েল পেপার উদ্ধার করা হয়।

আবদুল বাতেন বলেন- জাল টাকা তৈরির মূলহোতা গ্রেপ্তারকৃত আসামি কাউসার হামিদ তার অন্যতম সহযোগী আলাউদ্দিনসহ লালবাগের ৪নং এমসি রায় লেনের একটি ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে জাল টাকা তৈরির ব্যবসা করে আসছিল। আসামি সজিব ও মোছা. সালেহা জাল টাকা তৈরির কাগজে জলছাপ নিরাপত্তা সুতা স্থাপন করে। আসামি কাউসার হামিদ তার বড় ভাইয়ের সাথে জাল টাকা তৈরি করতো। পরবর্তীতে ২০০৪ সাল থেকে নিজেই জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদি কিনে ব্যবসা করতো। ইতোপূর্বে সে একাধিকবার জাল টাকা ও তৈরির সরঞ্জামাদিসহ গ্রেপ্তার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বড় কোনও উৎসব যেমন ঈদ ও দুর্গা পূজাকে টার্গেট করে গ্রেপ্তারকৃতরা ঢাকা শহরে বিভিন্ন জায়গায় তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে জাল টাকা সরবরাহ ও বিক্রি করতো।

 


আরও পড়ুন  :

 

এমসি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়