সব মোবাইল ফোন অপারেটরে সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা

প্রকাশ | ১৩ আগস্ট ২০১৮, ২১:১২ | আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০১৮, ২৩:২৭

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

দেশের মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানিগুলো ৪৫ পয়সার নিচে কোনো কলরেট নির্ধারণ করতে পারবে না। পাশাপাশি ২ টাকার বেশি কলরেট ধার্য করতেও পারবে না। মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না। যা আজ সোমবার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। 

দেশের মোবাইল অপারেটরগুলোকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি এ নির্দেশনা প্রদান করেছে।

বর্তমানে বিটিআরসি’র নির্ধারিত সর্বনিম্ন অননেট প্রতিমিনিট ২৫ পয়সা এবং অফনেটে ৬০ পয়সা আর সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা চালু রয়েছে।

এতদিন দেশে দুই ধরনের কলরেট চালু ছিল, একটি অননেট ও অপরটি অফনেট। অননেট হলো একই মোবাইল নেটওয়ার্কে কল করার (কথা বলার) পদ্ধতি এবং অফনেট কল হলো এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ফোন করা।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, ৪৫ পয়সা হলো নতুন কলরেটের ফ্লোর প্রাইস (ইউনিফায়েড ফ্লোর প্রাইস)। এ রেটের কমে কোনো মোবাইল নম্বরে কল করা যাবে না। তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের পছন্দমতো রেট সাজিয়ে নতুন কলরেট গ্রাহকদের অফার করতে পারবে। কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা, যা আগেও ছিল।

মূলত মোবাইল ফোন অপারেটররা নতুন কলরেটের সীমার মধ্য থেকে নিজেদের অপারেটরের চার্জ নির্ধারণ করেছে। ফলে একেক অপারেটরের চার্জ ছিল একেক রকম। তাই বিটিআরসি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানায়।

২০১৭ সালের শেষে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছিল, দেশের চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৪ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজারে পৌঁছেছে। আর ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪ লাখ ৮৩ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৬ কোটি ৫৩ লাখ ২৭ হাজার, রবি’র ৪ কোটি ২৯ লাখ ৮ হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ও টেলিটকের গ্রাহক সংখ্যা ৪৪ লাখ ৯৪ হাজার।

এমসি/এমকে