পতিত জমি উদ্ধারে নামছে সরকার, কৃষিনীতির খসড়া চূড়ান্ত

প্রকাশ | ০৯ জুলাই ২০১৮, ১৫:৪২

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে জমি উপযোগী টেকসই ও লাভজনক জাত ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার বিধান রেখে ‘জাতীয় কৃষি নীতিমালা, ২০১৮’-এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সরকার।

এই নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার আবাদযোগ্য পতিত জমির সন্ধান নেবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটি অনুমোদন দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, দেশে আবাদযোগ্য কোনও জমি পতিত রাখা যাবে না। শিগগিরই পতিত জমির মালিক, পরিমাণ ও এলাকা চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি জমি পতিত রাখার কারণ অনুসন্ধান করবে সরকার।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব বিষয় তুলে ধরেন।

নিরাপদ ও কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, লাভজনক, উৎপাদনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন করা, পাশাপাশি ফসলের উৎপাদনশীলতা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ, পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করাই নীতিমালার উদ্দেশ্য বলে জানান সচিব।

খসড়া কৃষি নীতিতে রয়েছে-  প্রাথমিক পর্যায়ে ফসলের রোগ, জাতভিত্তিক পুষ্টি চাহিদা নির্ণয় ও পুষ্টি আহরণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ন্যানো সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমির গুণাগুণ পর্যবেক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। কৃষিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি শনাক্ত করা এবং শোধনসহ ন্যানো প্রযুক্তির সার, বালাইনাশক উদ্ভাবন ও ব্যবহারের মাধ্যমে উপকরণ দক্ষতা অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

শফিউল জানান, কৃষি যন্ত্রিকীকরণ সেবা, উদ্ভাবনী সম্প্রসারণ প্রযুক্তি, প্রযুক্তি ব্লক স্থাপন, বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের বিষয়গুলোও নতুন নীতিমালায় সংযোজন করা হয়েছে।

এছাড়া বৈঠকে ‘বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আইন, ২০১৮’-এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। আইনে একাডেমির পরিচালক পদকে মহাপরিচালকে উন্নীত করার বিধান রাখা হয়েছে।

এসআর