• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

ফাঁকা ঢাকায় ঈদের আনন্দ

সিয়াম সারোয়ার জামিল, আরটিভি অনলাইন
|  ১৭ জুন ২০১৮, ১৬:১৪
ঈদের দ্বিতীয় দিনে স্বজনের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্তে কাটাতে বের হয়েছেন নগরবাসী। তবে সিংহভাগ মানুষ গ্রামে যাওয়ায় রাজধানী এখন পুরোটাই ফাঁকা। বিপণিবিতান এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, কোথাও চিরচেনা সেই অসহনীয় যানজট নেই। রাস্তাঘাট বেশ ফাঁকা।

মাশরাফি রূপকের বাসা মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে। কাজ করেন কাওরান বাজারের একটি অফিসে। এই ঈদেও অফিসে। সব মিলিয়ে এই পথটুকু চলতে তাঁর দশ মিনিট লেগেছে। রূপক বলেন, অন্য সময় এই পথ যেতে এক ঘণ্টার বেশি লেগে যেত। রমজান মাসে সেটা আরও বেড়ে গিয়েছিল। তবে রোববার ঢাকায় চলাচল ছিল তুলনামূলক স্বস্তির। আসেন মাত্র পনেরো মিনিটে।

রাজধানীর যে এলাকাগুলোয় সবচেয়ে বেশি যানজট থাকে, এর মধ্যে মিরপুর অন্যতম। শুধু কাজীপাড়া থেকে ১০ নম্বর গোলচত্বর পার হতেই ঘণ্টাখানেক লেগে যেত। এই পথ এখন মিনিট ৩ মিনিটের মধ্যেই পার হওয়া যায়।

কাওরান বাজার থেকে উত্তরা রুটে চলাচলকারী বাস ৩ নং স্পেশালের চালক তামিম সৌরভ বলেন, রাস্তার জ্যাম (যানজট) নেই। পুরোটাই ফাঁকা। তবে ঈদের কারণে আর কড়া রোদে দর্শনার্থীরাও সেভাবে গাড়ি নিয়ে বের হননি। 

ফাঁকা হয়ে যাওয়া ঢাকায় যাঁরা থাকেন তাঁদের কাছে নগরের ঈদ ভিন্ন মাত্রা পায়। ধূলি-যানজটমুক্ত শহরে ঘুরে বেড়ানোতেই আনন্দ খুঁজে পান অনেকে। ঈদের আগের দিন থেকে ঢাকা একদম যানজটমুক্ত হয়ে গেছে বলে জানান উত্তরার বাসিন্দা বিলকিস হোসাইন বিথি। 

তিনি বলেন, ‘সারা বছর যানজটের কারণে কাজ ছাড়া কোথাও যাওয়া হয় না। দুই ঈদেই কেবল শহরটা চলাচলের উপযোগী থাকে। তখন পরিবারের সবাই মিলে পুরো ঢাকা চষে বেড়াই। বাচ্চারাও ঘুরে খুব মজা পায়।’

বিথির কথা শেষ না হতেই পাশ থেকে তিন বছরের শিশু পারিশা বলে, ‘মা, আমরা এবার অনেক বেড়াব, শিশুমেলায় যাব।’

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের শিক্ষার্থী স্পৃহা রিজভী বলেন, রাজধানীতে ঈদে দারুণ একটা সময় কাটে। একেবারে ফাঁকা ঢাকা, যেটা অন্য সময় কল্পনায় করা যায় না। টইটই করে ঘুরে বেড়ানো যায়।

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়