পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক পদার্থের কারখানা সরানোর দাবি

প্রকাশ | ০৩ জুন ২০১৮, ২০:২২ | আপডেট: ০৩ জুন ২০১৮, ২০:২৮

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক পদার্থের কারখানা, গুদাম ও দোকান সরিয়ে নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনসহ (পবা) ১৬টি সংগঠন।

রোববার পুরান ঢাকার নিমতলী ট্র্যাজেডির ঘটনাস্থল সংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভের পাশে এই মানববন্ধন করা হয়।

পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেন, নিমতলীসহ পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকায় জনসাধারণ অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের সঙ্গে আতঙ্কে বসবাস করছে।

তিনি বলেন, এসব কারখানা, গুদাম ও দোকানে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যেখানে রাসায়নিক পদার্থের অব্যবস্থাপনায় বা সামান্য ত্রুটিতে ঘটে যেতে পারে নিমতলী ট্র্যাজেডির মতো ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ। তাই দ্রুত এসব জায়গা থেকে রাসায়নিক পদার্থের কারখানা, গুদাম ও দোকান সরিয়ে নিতে হবে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : মেয়াদোত্তীর্ণ ১১০০ বস্তা শিশুখাদ্য জব্দ, চারজনের জেল
--------------------------------------------------------

রাজধানীতে এক হাজারেরও বেশি রাসায়নিক কারখানা ও গুদাম রয়েছে উল্লেখ করে মানববন্ধনে বলা হয়, এর মধ্যে সাড়ে আটশ’রও বেশি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। কেমিক্যাল কারখানা, গুদাম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, সিটি করপোরেশনের ছাড়পত্র বা লাইসেন্স গ্রহণের বিধান রয়েছে।

‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫’ অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় কেমিক্যাল কারখানা, গুদাম পরিচালনার কোনও সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরামের (নাসফ) সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব আলী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী আবদুল আউয়াল, পুরান ঢাকা নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সুবন্ধন সমাজ কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, নবাব কাটারা সমাজ কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি হাজী মো. শহীদ মিয়া।

মানববন্ধনের শুরুতে নিমতলী ট্র্যাজেডির স্মরণে গড়ে তোলা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় এবং শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে একটি ভবনের নিচতলার রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের গুদামে আগুন লেগে মুহূর্তেই তা বিস্ফোরিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ১২৪ জনের প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন : 

কে/পি