• ঢাকা শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

৪ মাসেই ১৩ বার বিদেশ, শাহজালালে ধরা মুন্সীগঞ্জের দিদার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৪ মে ২০১৮, ১৮:০১ | আপডেট : ১৪ মে ২০১৮, ১৮:২৪
প্রতীকী ছবি
রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। আজ সোমবার সকালের দিকে এই মুদ্রা উদ্ধার হয়। 

শুল্ক গোয়েন্দার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আরটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একজন বহির্গমন যাত্রীর নিকট থেকে ঘোষণা বহির্ভূত ও বিশেষভাবে লুকায়িত  বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলার, সৌদি রিয়াল, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ও থাই বাথ আটক করা হয়েছে। এসময় তাকে আটক করা হয়। 

পাসপোর্ট অনুযায়ী ওই যাত্রীর নাম তুহিন দিদার, পাসপোর্ট নং BR 0132433। তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জ। 

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ব্যবসায়ী হত্যায় ৪ জনের ফাঁসি
--------------------------------------------------------
 
তিনি BG-0088 ফ্লাইট যোগে ঢাকা থেকে ব্যাংকক যাচ্ছিলেন। ইমিগ্রেশন পরবর্তী বোর্ডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করে ডিপার্চার যাত্রী লাউঞ্জে অপেক্ষারত অবস্থায় শুল্ক গোয়েন্দার দল তার কাছে কোন বৈদেশিক মুদ্রা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি তার কাছে গচ্ছিত মুদ্রার চেয়ে কম পরিমাণ মুদ্রা আছে বলে উল্লেখ করেন।

এসব মুদ্রা তিনি কোনো প্রকার ঘোষণা ছাড়াই বহন করছিলেন। পরবর্তীতে যাত্রীর সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে লুকায়িত অবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়।

শুল্ক গোয়েন্দার ওই কর্মকর্তা জানান, যাত্রীকে ব্যাগেজ কাউন্টারে এনে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে সর্বমোট ২০ হাজার মার্কিন ডলার, ৬ হাজার সৌদি রিয়াল, ২৩০ রিঙ্গিত এবং ৪৫০০ থাই বাথ উদ্ধার করা হয়েছে।বাংলাদেশি টাকায় এসব মুদ্রার পরিমাণ ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা। 

এসব মুদ্রা দিয়ে তিনি চোরাচালান করার  চেষ্টা করছিলেন মর্মে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়। 

পাসপোর্ট চেক করে দেখা যায়, তিনি ২০১৮ সালে ১৩ বার  বিদেশ গমন করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন দিদার জানান, তিনি একজন ব্যাবসায়ী। তিনি বৈদেশিক মুদ্রাগুলো বাংলাদেশ থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতোপূর্বে তিনি এভাবে ১০/১১ বার মুদ্রা বহন করেছিলেন মর্মে স্বীকার করেন। 

ঘোষণা ছাড়া এবং লুকানোর কারণে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ও শুল্ক আইন ভঙ্গ হয়েছে। 

এ ব্যাপারে আটককৃত যাত্রীকে শুল্ক আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।একইসঙ্গে অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন : 

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়