উসকানিদাতারা লাশ চেয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ | ১০ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:২২ | আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:৪৯

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

সরকারি চাকরিতে কোটার আন্দোলনে কতিপয় লোক উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করেছে। এই আন্দোলনে উস্কানি দিয়ে রাজনীতিকরণের চেষ্টা চলছে। উস্কানিদাতারা একটা লাশ চেয়েছিল, লাশ পায়নি বলে তাদের দুঃখ। বললেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।  

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হাসানুল হক ইনু বলেন, কোটা সংস্কারে চলমান আন্দোলন দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। কোটাপদ্ধতি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নয়। আগেও সংস্কার হয়েছে, ভবিষ্যতেও সংস্কার হবে। মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ হলেও বাস্তবে গত তিনটি বিসিএসে ৭০ শতাংশের ওপরে মেধা কোটা থেকেই নিয়োগ হয়েছে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : কোটা সংস্কার হওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী
--------------------------------------------------------

মন্ত্রী জানান, ৩৩তম বিসিএসে মেধা কোটায় নিয়োগ হয়েছে ৭৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। ৩৫তম বিসিএসে মেধা কোটায় নিয়োগ হয় ৬৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর ৩৬তম বিসিএসে মেধা কোটায় নিয়োগ হয় ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাতের আঁধারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় আমরা ব্যথিত, মর্মাহত ও  উদ্বিগ্ন। ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করে অশুভ শক্তি এ কাজ করছে বলে আমরা মনে করি। গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরও প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের কোটা পদ্ধতির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে সুষ্ঠু সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক করে গতকাল আশ্বস্ত করেছেন। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয় নিয়ে কাজ করছেন।

কোটা পদ্ধতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান ও হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে জানিয়ে ইনু আরও বলেন, ওই সব ব্যক্তিমহল শুধু মুক্তিযোদ্ধাদেরই নয়, মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও চরম অবমাননাকর কটূক্তি করে চলেছেন।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারে দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলন গত রোববার থেকে তীব্র আকার ধারণ করে। রোববার আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হামলায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

আরও পড়ুন :

এসএস