• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

নেপালে বিমান দুর্ঘটনা : দেশে ফেরত রোগীরা ভালো আছেন

অনলাইন ডেস্ক
|  ১৮ মার্চ ২০১৮, ১৮:১৩ | আপডেট : ১৮ মার্চ ২০১৮, ১৮:৪৪
নেপালের কাঠমান্ডুতে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতরা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বাংলাদেশে ফেরত আসা সব রোগী ভালো আছেন। বললেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আজ (রোববার) দুপুরে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। নেপালের কাঠমান্ডুতে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা পরবর্তী সবশেষ পরিস্থিতি জানাতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকে দেশে আনা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে একটি মেডিকেল টিম তাদের চিকিৎসা করছেন। বাংলাদেশে ফেরত আসা রোগী সবাই ভালো আছেন। তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় ৫১ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি, ২৪ জন নেপালি, একজন চীনা নাগরিক। এ দুর্ঘটনার পর পরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেডিকেল টিম গঠন করে আমরা নেপালে পাঠিয়েছি। তারা সেখানে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আপনারা কেউ হাসপাতালে রোগীদের আশেপাশে ভিড় করবেন না। তারা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। তাদের অগ্রগতি সম্পর্কে আমরা টাইম টু টাইম ব্রিফ করবো।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যসেবা সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন বাংলাদেশে ৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা হলেন- শাহরিন আহমেদ মুমু (৩০), মেহেদী হাসান সুমন (২৯), সৈয়দা কামরুন নাহার স্বর্ণা (২২), আলমুন নাহার অ্যানি (২২ ) এবং রুবায়েত (৩২)। তারা সবাই ভালো আছেন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহত ২৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ১৭ জনকে শনাক্ত করা গেছে। বাকি ৯ জনকে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক এখন সিঙ্গাপুর আছেন। তারা হলেন ডা. রেজওয়ান ও ইমরানা কবীর।

আর ইয়াকুব আলী নামের একজনকে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। রোগীদের আত্মীয় স্বজনদের ইচ্ছায়ই তাদের বিদেশে নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, একসঙ্গে ১৫টির বেশি মরদেহ আনার সক্ষমতা ইউএস-বাংলার নাই। সেক্ষেত্রে তারা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলছে। তবে মরদেহ ফেরত আনার বিষয়টি নেপালের অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল। সেখানে বাংলাদেশ হাই কমিশন ভালো কাজ করছে।

সামন্ত লাল সেন বলেন, নেপাল থেকে বাংলাদেশে ফেরত আসা সব রোগী ভালো আছেন। তাদের অবস্থা এখন স্থিতিশীল আছে। এখন আহতদের যে অবস্থা মেডিকেলের ভাষায় তাকে স্টেবল বলে। আমরা কাউকে শঙ্কামুক্ত বলতে পারছি না।

তিনি বলেন, বিমান দুর্ঘটনায় আহত যে পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে তাদের মধ্যে শাহরিনের অপারেশন করতে হবে। তার মানসিক অবস্থা আরেকটু স্থিতিশীল হলে অপারেশন করবো। এছাড়া মেহেদী হাসান ও তার স্ত্রী কামরুন নাহার স্বর্ণা, আলমুন নাহার অ্যানিসহ সবাই ভালো আছেন।

জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়