সামরিক পাহারায় এদিন ঢাকায় আসেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া

প্রকাশ | ১৫ মার্চ ২০১৮, ১৯:৫০

অনলাইন ডেস্ক

একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চের এদিনে বাঙালির অসহযোগ আন্দোলন দেশজুড়ে আরও বেগবান হয়। এদিন দেশের সব জায়গায় কালো পতাকার পাশাপাশি অনেক ভবনে উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। সামরিক বাহিনীর নির্দেশ উপেক্ষা করে পূর্ণ কর্মবিরতি পালিত হয়, দেশের অফিস আদালতগুলোতে। কঠোর সামরিক পাহারায় এদিন ঢাকায় আসেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া।

এদিন দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে গঠিত হয় সংগ্রাম পরিষদ। এদিন সামরিক বাহিনীর নির্দেশ উপেক্ষা করে কর্মবিরতি পালন করেন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেসামরিক কর্মচারীরাও।

এমনই উত্তাল পরিস্থিতিতে বিকেলে পাকিস্তান বাহিনীর প্রায় সব জেনারেলকে নিয়ে কঠোর পাহারায় ঢাকা আসেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া। আর এ সময়টিতে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের বিশাল জনসমাবেশ চলে বায়তুল মোকাররমে। এ সমাবেশে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা।

এসময় সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়- ‘বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। বাঙালির ওপর সামরিকবিধি জারি করার ক্ষমতা কারও নেই। দেশের জনগণ তাদের একমাত্র বন্ধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশই মেনে চলবে।

অন্যদিকে, আগের দিনের বক্তৃতার পুনরাবৃত্তি করে করাচিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো।

তিনি বলেন, দেশ শাসনের প্রশ্নে অবশ্যই পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলগুলোর ইচ্ছার মূল্য দিতে হবে।

এ দিনে ভুট্টোর দেয়া এই বক্তব্যে পূর্ব পাকিস্তানের পাশাপাশি পশ্চিম পাকিস্তানেও তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

জেএইচ