• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের বদলে ‘জয় বাংলা…বাংলার জয়’ গান

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১১ মার্চ ২০১৮, ১৯:৪২
একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চের এই দিনে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন পালন করা হয় দেশজুড়ে। এদিন দেশের বিভিন্ন জেলখানা ভেঙ্গে বেরিয়ে আসার সময় কারারক্ষীদের গুলিতে মারা যান কয়েকজন কয়েদি। অন্যদিকে, সিএসপি ও ইপিসিএস সমিতির কর্মচারীরা অসহযোগ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাদের একদিনের বেতন জমা করেন আওয়ামী লীগের তহবিলে।

একাত্তরের উত্তাল মার্চের এদিনে শুধু সামরিক দপ্তর ছাড়া, গোটা দেশের সব জায়গায় উড়তে থাকে স্বাধীন বাংলার পতাকা। এসময় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শুধু বিমান ছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ সব যোগাযোগ কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসে।

বাঙালির অসহযোগ আন্দোলনে সবচেয়ে অবাক করার মতো ঘটনা ঘটে একাত্তরের ১১ মার্চ। এদিন নারায়ণগঞ্জের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ছায়াছবি শুরুর আগে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের বদলে পরিবেশন করা হয় ‘জয় বাংলা…বাংলার জয়’ গান।

এদিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমদ এক বিবৃতিকে বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশগুলোকে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে। এছাড়াও এদিন আরো ১৪টি নির্দেশের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

এদিন সিএসপি এবং ইপিসিএস সমিতির কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অসহযোগ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাদের একদিনের বেতন জমা করেন আওয়ামী লীগের তহবিলে।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর রসদ সরবরাহের সময় বাধা দেয় বিদ্রোহী জনতা। অন্যদিকে, সিলেট এবং যশোরে রেশন নেয়ার সময় সেনাবাহিনীর একটি কনভয় আটকে রাখা হয়। দিনব্যাপী এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে রাতে এক সামরিক নির্দেশে বলা হয়- কেউ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করলে অথবা সেনাবাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণে বা গতিবিধিতে বাধা সৃষ্টি করলে তাদের সংশ্লিষ্ট সামরিক বিধি অনুযায়ী বিচার করা হবে।

জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়