বন্যা-ভূমিধসের শিকার হতে পারে লাখো রোহিঙ্গা

প্রকাশ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:২৩ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:২৯

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

বাংলাদেশে সামনেই বর্ষাকাল। তাই কক্সবাজারের বালুখালী ও কুতুপালংয়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। তারা বলছে, শিবিরে পাঁচ লাখ ৬৯ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে কমপক্ষে এক লাখ শরণার্থী ভূমিধস ও বন্যার কবলে পড়তে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ, ইউএনএইচসিআর, আইওএম, রিচ ও এডিপিসি’র মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, শিবিরের এক তৃতীয়াংশ বন্যার পানিতে ডুবে যেতে পারে। ফলে ৮৫ হাজারের বেশি শরণার্থী আশ্রয়স্থল হারাতে পারে। আরও ২৩ হাজার শরণার্থী ভূমিধসের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এছাড়া সরকারি ও দাতব্য সংস্থাগুলো যে ল্যাট্রিন, ওয়াশরুশ, টিউবওয়েল ও সাহায্য স্থাপন করেছে সেগুলো বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যাহত হতে পারে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে জরুরি সাহায্য সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে। ভেঙে পড়তে পারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও।

ইউএনএইচসিআর বলছে, বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়টি মানছে। তাই তারা জাতিসংঘ ও সেখানে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিভিন্ন সংস্থাকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

তবে ইউএনএইচসিআর নিজেরাও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা এরইমধ্যে শরণার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন উন্নত সরঞ্জাম সরবরাহ করে যাচ্ছে। আর বাঁশ দিয়ে চলার রাস্তা ও সাঁকো বানানো হচ্ছে। বাঁশ, ইট ও কংক্রিট দিয়ে মাটি শক্ত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থারও কাজ করা হচ্ছে। সতর্কতার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জামাদিও লাগানো হচ্ছে।

তবে পুরোদমে কাজ শুরু হতে আরও কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে।

গেলো বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইনে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’শুরু হওয়ার পর প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

আরও পড়ুন:

এ/পি