
বাংলাদেশে যেই দুর্নীতি করুক না কেন, তাকেই বিচারের আওতায় আসতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
শুক্রবার সকালে উত্তরা আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি। খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারকরা স্বাধীনভাবে তাদের রায় প্রদান করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায়ে সরকারের কোনও হাত নেই। বিচারকরা স্বাধীনভাবে তাদের রায় প্রদান করেছেন।
কামাল বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কোনও স্থান নেই।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু
--------------------------------------------------------
তিনি বলেন, বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবেন। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি নৈরাজ্য করার পায়তারা করে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণ তা প্রতিহত করবে।
এসময় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, এই দেশে দুর্নীতির দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেলে গেয়েছেন, এটা একজন রাজনীতি কর্মী হিসেবে ভাবতে আমার লজ্জা লাগে।
উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। আদালত থেকে তাকে নেয়া হয়েছে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানেই থাকবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারের কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দুর্নীতির কারণে কারাবরণ করতে হল।
এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দুর্নীতি মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৫ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এমসি/জেএইচ




