• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮ | ০৬ বৈশাখ ১৪২৫

এটা পাবলিক ট্রায়াল নয় ক্যামেরা ট্রায়াল হচ্ছে: মওদুদ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১১ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:৫৩ | আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:০৩
ফৌজদারি আইনের আবরণে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক বিচার হচ্ছে। এটা কোনো ক্রিমিনাল মামলা নয়। স্পিডি ট্রায়াল ঠিকই হচ্ছে, কিন্তু এটা পাবলিক ট্রায়াল নয় ক্যামেরা ট্রায়াল হচ্ছে। এভাবে কোনো মামলার বিচার হতে পারে না। এ আদালতে কোনো আইনজীবীকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বললেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দশম দিনে বৃহস্পতিবার শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ পঞ্চম আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার কাজ চলছে।

মওদুদ আহমদের বক্তব্যে শেষ না হওয়ায় আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪ মিনিটে খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত হন এবং এর ৫ মিনিট পরেই আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। দিনের শুরুতেই অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার বক্তব্যে শেষ হলে বিরতির পর সোয়া ১টায় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আদালতের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য শুরু করেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, 'এ মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরম দৃষ্টান্ত। কারণ সামনে নির্বাচন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা কমানোর জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ মামলার বিচার হচ্ছে। এ আদালতে আরো ১৪টি মামলা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই আচরণ দূরভিসন্ধিমূলক, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।'

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাকে 'বানোয়াট মামলা' আখ্যায়িত করে বিচারককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, 'আপনার ওপর আমাদের অগাধ বিশ্বাস আছে। আশা করি আপনি সেভাবেই একটা রায় দেবেন।'

সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, 'প্রথম থেকেই এই মামলার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এ মামলা করা হয়েছে। যদি রাজনৈতিক কারণ না থাকতো তাহলে যে আদালতে এ মামলা বিচারের জন্য এসেছিল সে আদালতই তা খারিজ করে দিতে পারতো। আদালতের সেই এখতিয়ার রয়েছে।'

তিনি বলেন, 'স্বামীর নামে ট্রাস্ট গঠন করে বা পিতার নামে ট্রাস্ট গঠন করে সেই টাকা কেউ আত্মসাৎ করবেন এটা কেউ বিশ্বাস করবে না। অর্থ আত্মসাৎ তো দূরের কথা, ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বেড়ে এখন ৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।'

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়