সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে

প্রকাশ | ২৭ নভেম্বর ২০১৭, ১৫:৫৯ | আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০১৭, ২০:৪৫

অনলাইন ডেস্ক

একটি রাষ্ট্রের একার পক্ষে সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এজন্য ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে মেরিটাইম ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে একযোগে কাজ করতে হবে। বললেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

আজ (সোমবার) কক্সবাজারে ইন্ডিয়ান ওশান নেভাল সিম্পোজিয়ামের (আইওএনএস) ‘মাল্টিল্যাটারাল মেরিটাইম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এক্সসারসাইজের (ইমসারেক্স) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

মহড়ায় আইওএনএস এর ৩২টি দেশের মধ্যে ২৩টি সদস্য ও ৯টি পর্যবেক্ষক দেশসমূহের নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এবং নৌপ্রধান, ঊর্ধ্বতন নৌ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের মেরিটাইম বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর নৌবাহিনীর মধ্যকার আঞ্চলিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে এই আন্তর্জাতিক সমুদ্র মহড়ার আয়োজন করেছে। বাংলাদেশের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নিজামউদ্দীন আহমেদ এ জোটের বর্তমান চেয়ারম্যান। আগামী ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজারে এই মহড়া চলবে।

সশ্রস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদুল হামিদ বলেন, সাগরের সম্পদ উত্তোলন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। সাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেই সমৃদ্ধ এই মেরিটাইম ইকোনোমির উন্নতি হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সুনামি ও সাইক্লোনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি রাষ্ট্রের একার পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আঞ্চলিক দায়িত্ব হয়ে পড়ে। যৌথ উদ্যোগ ছাড়া আমরা আমাদের নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারব না। এজন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মতপার্থক্য দূর করতে মতামতের স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত আদান-প্রদানই একমাত্র পথ। স্থলভাগের সীমান্ত দেশগুলোকে আলাদা করে রাখলেও সাগরের বন্ধুত্বের বন্ধন আমাদের একসাথে রাখতে পারে। আইওএনএস শুধুমাত্র ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নয়, বরং এশিয়া-প্যাসেফিক ও সংলগ্ন অঞ্চলের আশার প্রতীক।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধান, পদস্থ বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

 

জেএইচ