• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

২০১৮ সালে শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ ৫০ শতাংশ বাড়বে : ড. তৌফিক-ই-ইলাহী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৯ জুলাই ২০১৭, ২৩:০০ | আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৭, ২৩:৪২
২০১৮ সালের মধ্যে বিদ্যুৎখাতের সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা হবে। ফলে এসময় শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যের ধারাকে বেগবান করার জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। 

রাজধানীর লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) খনিজ সম্পদ বিভাগের অধ্যাপক ড. ম তামিম।

ড. তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, ২০১৯ সালে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। নিজস্ব কয়লা ও গভীর সমুদ্রে কূপ খনন ও উৎপাদন প্রক্রিয়া কিছুটা সময় সাপেক্ষ হওয়ায়, সরকার তরল জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।  

তিনি বলেন, ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে স্থাপিত মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দেশের বিদ্যুৎ খাতের প্রধান উৎস হিসেবে পরিণত হবে। মায়ানমার হতে ক্রস-বর্ডার পাওয়ার ট্রেড-এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানি করা যেতে পারে। 

জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি স্বল্পতা দূরীকরণে সরকার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করছে। সরকার বর্তমানে কয়লা হতে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। দেশে সোলার এনার্জির মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোরও সুযোগ রয়েছে।  

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অপরিহার্য। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা ও উৎপাদন বিষয়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং তার ভিত্তিতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। 

স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখার স্বার্থে জ্বালানি উৎপাদন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জ্বালানির চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আমাদের নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান কর্মসূচী অব্যাহত রাখতে হবে। 

এমসি/এসএস 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়