close
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | ১৪ বৈশাখ ১৪২৪

সংকটই পথ দেখাচ্ছে সম্ভাবনার : গরু পালনে দেশের স্বনির্ভরতার স্বপ্ন

জুলহাস কবীর
|  ১৭ এপ্রিল ২০১৭, ১৪:২৮ | আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৭, ১৩:৫০
প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হওয়ায় গো-সম্পদে স্বনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের খামারিরা।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের আলুকদিয়া চরের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে যে গরু লালন-পালন করা হচ্ছে তা কেবল সম্ভাবনার কথাই বলে না স্বপ্ন দেখায় দেশে গরুর মাংসের চাহিদা পূরণের। প্রান্তিক খামারিদের ঘরে পালন করা এসব গরু দেশের চাহিদা পূরণে রাখতে পারে বড় ভূমিকা।

তবে খামারিরা মনে করছেন, গবাদি পশুপালনে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা জোরদার করা গেলে আরো বেশি গরু পালন করা সম্ভব।

হঠাৎ করে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে আসা বন্ধের পর যে সংকট ২০১৪ সাল থেকে দেশবাসীকে ভোগাচ্ছে তাকেই দেখা হচ্ছে আশির্বাদ হিসেবে।

অন্যদিকে সম্ভাবনাও জাগাচ্ছে গরু পালনে বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা অর্জনের।

পরিসংখ্যাণ ব্যুরোর তথ্য বলছে, সরাসরি গবাদি পশু পালনের সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশে ২৮ লাখ পরিবার। বর্তমানে দেশে গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৩৬ লাখ, মহিষের প্রায় ১৫ লাখ।

এদিকে গরুর উৎপাদন বাড়াতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের একাধিক প্রকল্প থাকলেও, এ চরে এখন পর্যন্ত কোনো প্রকল্পই চালু হয়নি। আবার হাজার হাজার গরু থাকলেও দেখা মেলে না প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তার।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, মাংসের চাহিদা পূরণে প্রতিবেশী দেশের গরুর ওপর নির্ভরশীলতা কমতে দরকার বড় বড় খামার গড়ে তোলার। সে ক্ষেত্রে ব্যাংক বা এনজিও’র কৃষিঋণ রাখতে পারে বড় ভূমিকা। তবে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকে।

কেবল মানিকগঞ্জের আলুকদিয়া চর নয়, দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের সাধারণ খামারিরা যদি পর্যাপ্ত সুযোগ এবং ভারত থেকে গরু আসা বন্ধের নিশ্চয়তা পান তাহলে এ বিষয়ে আরো বেশি মনযোগী হয়ে উঠবেন তারা, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরকে/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়