• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

রাস্তায় নামে সংগ্রামী মানুষের স্রোত

আতিকা রহমান
|  ২৪ মার্চ ২০১৭, ১৫:৪১ | আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৭, ২১:৫১
একাত্তরের ২৪ মার্চ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়। স্বাধীনতার দাবিতে রাস্তায় নামে সংগ্রামী মানুষের স্রোত। সারাদেশে বাড়িতে বাড়িতে উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলা ও শোকের কালো পতাকা। আর প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া তার সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে দফায় দফায় গোপন বৈঠক করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকা হরতালের পক্ষে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দফা মিছিল করে ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের নেতা কর্মীরা।

এদিন টেলিভিশন কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে পাহারায় থাকা পাক সেনাদের দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে সন্ধ্যা থেকে টেলিভিশনের সব অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ করে দেয় বাঙালিরা।

অন্যদিকে এদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিলে বাধা দেয় পাক সেনারা। অদম্য বাঙালিকে প্রতিহত করতে রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুরে সামরিক সরকারের এজেন্টরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। 

সৈয়দপুর শহরে কারফিউ দিয়ে সেনাবাহিনী-অবাঙালি সম্মিলিতভাবে মানুষের বাড়ি ঘরে আগুন দেয় এবং রংপুর হাসপাতালের সামনে নিরস্ত্র মানুষের ওপর বেপরোয়া গুলিতে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।  

এদিন, বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাসায় বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল এসে জড়ো হয়। সেখান থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেয়ার দাবি আসে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ বাঙালির ওপর নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাজউদ্দিন আহমেদ এক বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা, নস্যাৎ করার উদ্যোগ নেয়া হলে, তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

এদিন রাতভর চলা সংঘর্ষে সেনাসদস্যদের গুলিতে শহীদ হন প্রায় দুই শতাধিক নিরীহ বাঙালি।

জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়